মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২nd এপ্রিল ২০১৫

মাননীয় মন্ত্রীর জীবন বৃত্তান্ত

 

এ্যাডভোকেট মো. কামরুল ইসলাম ১৯৫০ খ্রিষ্টাব্দে ১ জুন ঢাকা মহানগরের লালবাগ থানার ৪৮/১ মোহাম্মদ আজগর লেনে এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা প্রিন্সিপাল হাকিম খোরশেদুল ইসলাম এবং মাতা হালিমা খাতুন চৌধুরী। এ্যাডভোকেট মো. কামরুল ইসলাম চার ভাই ছয় বোনের মধ্যে সপ্তম।

 

এ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম ১৯৬৫ সালে ঢাকার আরমানিটোলা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে কৃতিত্বের সাথে এস.এস.সি পাশ করেন। ১৯৬৭ সালে গভর্নমেন্ট ইসলামিক ইন্টারমিডিয়েট কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৭০ সালে স্নাতক সম্পন্ন করেন এবং ১৯৮২ সালে একই বিশ্ববিদ্যলয় থেকে আইন শাস্ত্রে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন।

 

এ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম ঢাকা বারে যোগদানের মাধ্যমে আইন পেশা শুরু করেন। পরবর্তীতে তিনি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবে যোগদান করেন। ১৯৯৬-২০০১ সালে এ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম ঢাকার পাবলিক প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৮ সালে তিনি বাংলাদেশ বার কাউন্সিল নির্বার্হী কমিটির সদস্য নির্বাচিত হন। বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলা, জেলখানায় জাতীয় চার নেতা হত্যা মামলা এবং ২০০৭ সালের ১/১১ পরবর্তীতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাসহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ মামলায় আইনজীবী হিসিবে তিনি দায়িত্ব পালন করেন। বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলা ও জেলখানায় জাতীয় চার নেতা হত্যা মামলার বিষয়বস্তু ল’জার্নালে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।

 

এ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম ভারত, নেপাল, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, সিঙ্গাপুর, জাপান, কানাডা, ফ্রান্স, ইতালি, সুইডেন, ডেনমার্ক, চীন, শ্রীলঙ্কা, দক্ষিণ কোরিয়া, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত সহ অনেক দেশ সফর করেছেন।

 

রাজনৈতিক অঙ্গনে এ্যাডভোকেট কামরুল ইসলামের বিচরণ ষাটের দশকে অর্থাৎ স্কুল জীবন থেকে। ১৯৬৯ এ ঢাকা নগর ছাত্রলীগের নেতা হিসেবে তিনি বাঙালির মুক্তির সনদ ৬ দফা ও ১১ দফা ভিত্তিক গণআন্দোলনে অংশ নেন। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধকালে তিনি ভারত যান এবং দেরাদুনে বিএলএফ-এর প্রথম ব্যাচে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে দেশে ফিরে যুদ্ধে অংশ নেন। ঢাকা শহরে পাকিস্তানি দখলদার সেনা বাহিনীর বিরুদ্ধে অদম্য সাহসের সাথে যুদ্ধ করে এ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম দেশমাতৃকার প্রতি তাঁর ভালবাসা প্রদর্শন করেন। পঁচাত্তর পরবর্তী সময়ে তিনি ঢাকা মহানগর আওয়ামীলীগের নেতা হিসেবে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে গুরূত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ঢাকা মহানগর শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন।

 

এ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম ২০০৮ সালে ১৭৫ ঢাকা-২ আসন (সাভার-কেরানীগঞ্জ-কামরঙ্গীরচর এলাকা) থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসিবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করে বিপুল ভোটে বিজয়ী হন। এ সময়ে তিনি আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পান। নবম জাতীয় সংসদে তিনি আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটির সদস্যও ছিলেন।

 

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি তারিখে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে একই এলাকা থেকে এ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১২ জানুয়ারি ২০১৪ তারিখে তিনি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের খাদ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব লাভ করেন।

 

এ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম ১৯৭৪ সালের ডিসেম্বরে বেগম তায়েবা ইসলামের সঙ্গে পরিণয় সূত্রে আবদ্ধ হন। তিনি সায়েমা ইসলাম, সামিরা ইসলাম, সেগুপ্তা ইসলাম ও ডা. তানজির ইসলাম অদ্বিত-এর গর্বিত জনক।

 

 

 

 

 

 


Share with :